কিয়ামতের দিন সম্পর্কে বেশ কম। আমরা সবাই জানি। কিয়ামতের দিন হবে কিছু কিছু মানুষের জন্য অত্যন্ত কঠোর কঠিন মুসিবতের দিন। আবার কিছু কিছু মানুষ...
কিয়ামতের দিন সম্পর্কে বেশ কম। আমরা সবাই জানি। কিয়ামতের দিন হবে কিছু কিছু মানুষের জন্য অত্যন্ত কঠোর কঠিন মুসিবতের দিন। আবার কিছু কিছু মানুষের জন্য হবে অত্যন্ত শীতল, ঠাণ্ডা, শান্তিপূর্ণ।
কিয়ামতের দিন সম্পর্কে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা পবিত্র কোরআনুল কারীমের মধ্যে সূরা যিলযাল এর সাত নাম্বার এবং আট নম্বর আয়াতের মধ্যে বলেন, যদি কোন ব্যক্তি অণু পরিমাণ সৎ কাজ করে। ভালো কাজ করে, নেক আমল করে সেটাও সে দেখতে পাবে। আবার যদি কোন ব্যক্তি মন্দ কাজ করে, খারাপ কাজ করে সেটাও সে কিয়ামতের দিন দেখতে পাবে। অর্থাৎ অণু পরিমাণ ভালো কাজ করলেও সে তার প্রতিদান পাবে। অণু পরিমাণ খারাপ কাজ করলেও সে তার শাস্তি পাবে।
কিয়ামতের দিন নিজ আমলের দ্বারা অনেকেই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার কাছ থেকে অনেক রকম উপহার পাবেন। তার মধ্য থেকে সাত শ্রেণির মানুষ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার আরশের নিচে ছায়া পাবেন।
কিয়ামতের দিন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার আরশের ছায়া ব্যতীত আর ভিন্ন কোন ছায়া হবে না। সেই কঠিন মুহূর্তের মধ্যে সাত শ্রেণির মানুষকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আরশের নিচে ছায়া প্রদান করবেন।
প্রথম নাম্বার হচ্ছে ন্যায়পরায়ণ বাদশা অর্থাৎ ন্যায়পরায়ণ শাসক। ক্ষমতা পাওয়ার পরে যে তার ক্ষমতাকে ন্যায় ইনসাফের কাজে লাগাবে সেই ব্যক্তি হচ্ছে প্রথম যে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার আরশের নিচে ছায়া পাবে। দ্বিতীয় ঐ যুবক যার যৌবনকাল কেটেছে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার ইবাদতে। তৃতীয় ওই ব্যক্তি যার অন্তর সবসময় মসজিদের সাথে লেগে থাকে। চতুর্থ এমন দুই ব্যক্তি যাদের বন্ধুত্ব এবং বন্ধুত্ব ছিন্ন করা একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার জন্যই হয়। পঞ্চম নাম্বার ঐ যুবক যে যুবককে কোন মর্যাদাপূর্ণ সুন্দরী রমণী খারাপ কাজের প্রতি আহবান করে। কিন্তু সে পুরুষ জবাবে বলে, আমি আল্লাহ তাআলাকে ভয় করি। ষষ্ঠ ওই ব্যক্তি সে ডান হাত দিয়ে কী দান করেছে তার বাম হাত জানতে পারে না। অর্থাৎ খুব সতর্কতা। গোপনীয়তার সাথে দান সদকা করা। সপ্তম ওই ব্যক্তি যে নির্জনে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার জিকির করে এবং তার চোখ থেকে অশ্রু ঝরে। এই হাদিসটি বোখারী, তিরমিজি সহ বিভিন্ন হাদিসের কিতাবের মধ্যে রয়েছে।
কোন মন্তব্য নেই
A Samam